ADVERTISEMENT
Business

টানা পাঁচ মাস প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে, বাড়ছে ডলারের দাম

টানা পাঁচ মাস প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে, বাড়ছে ডলারের দাম

মার্কিন ডলাররয়টার্স ফাইল ছবি

টানা পাঁচ মাস ধরে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে আছে। এর আগে সর্বশেষ মে মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। অক্টোবর মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ২৮৪ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বর মাসে এসেছিল ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত সেপ্টেম্বরে মাসের তুলনায় আয় কিছুটা বেড়েছে। এর আগে আগস্ট মাসে আয় এসেছিল ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।

টানা পাঁচ মাস ধরে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে আছে। এর আগে সর্বশেষ মে মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। অক্টোবর মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ২৮৪ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বর মাসে এসেছিল ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত সেপ্টেম্বরে মাসের তুলনায় আয় কিছুটা বেড়েছে। এর আগে আগস্ট মাসে আয় এসেছিল ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। তবে গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি এসেছে প্রবাসী আয়। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২৫৬ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। পরবর্তী মাস আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলারে। তবে সেপ্টেম্বর মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা ও ডলারের আনুষ্ঠানিক দর স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ তেমন একটা কমেনি। যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় অস্থিরতা থাকলেও বড় প্রভাব পড়েনি। সেপ্টেম্বর মাসে কিছুটা কমলেও অক্টোবরে বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল ও রিজার্ভ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখছে। এদিকে সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয় পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। ওই অর্থবছরে ১২ মাসের মধ্যে ছয় মাসেই ৩০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। দুই বছর আগে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে হঠাৎ করে প্রবাসী আয়ে বড় উল্লম্ফন দেখা যায়। তাতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ২৭ শতাংশ। ওই অর্থবছরে এই প্রথম প্রবাসী আয় ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতায় গত অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড হয়েছে। চলমান সংকটের মধ্যেও অর্থনীতির মূল চাকা সচল রাখতে এই শক্তিশালী প্রবাসী আয় প্রবাহ বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা। এতে দেশের ডলারের বাজারে স্বস্তি আছে, যদিও সম্প্রতি ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। বাড়ছে ডলারের দাম ব্যাংকগুলোয় আমদানির জন্য কেনা ডলারের দাম বেড়েছে। ১৯ অক্টোবর ব্যাংকগুলো একে অপরের থেকে ডলার কিনেছে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৬০ পয়সা দরে, গত বৃহস্পতিবার যা বেড়ে হয়েছে ১২৩ টাকা ৯৯ পয়সা। এ সময়ে প্রতিদিনই ৫ থেকে ২০ পয়সা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। ব্যাংকগুলোর ঘোষিত দাম পর্যলোচনা করে দেখা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সিটি ব্যাংক বিদেশফেরত মানুষের কাছ থেকে নগদ ডলার কিনেছে ১২৪ টাকা ৭৫ পয়সা দামে। তবে বিক্রি করেছে ১২৬ টাকায়। একই দিন ব্র্যাক ব্যাংক বিদেশফেরত যাত্রীদের ডলার কিনেছে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা দামে, বিক্রি করেছে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা দামে। একই দিন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) ডলার কিনেছে ১২৫ টাকায়, বিক্রি করে ১২৬ টাকা ২৫ পয়সা দামে। তবে অগ্রণী ব্যাংক নগদ ডলার কিনেছে ১২৩ টাকায়, বিক্রি করেছে ১২৪ টাকা দরে। ব্যাংকে ডলারের দাম ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে থাকলেও খুচরা বাজারের দাম আরও চড়া। বৃহস্পতিবার মতিঝিলের খোলাবাজার ও মানি চেঞ্জারে ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা দামে। মানি চেঞ্জারগুলো গ্রাহকের কাছ থেকে ডলার কিনেছে সর্বোচ্চ ১২৮ টাকায়।
ADVERTISEMENT In-Article Advertisement